,


শিরোনাম:
«» রাজবাড়ীতে ব্যতিক্রমী আয়োজন করতে যাচ্ছে অনলাইন প্লাটফর্ম “রাজবাড়ী সার্কেল” «» পাংশাবাসীকে দূর্গা পূজার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জেলা পরিষদ সদস্য উত্তম কুমার কুন্ডু «» পূজা উদযাপন পরিষদের পক্ষ থেকে পাংশাবাসীকে শারদীয় শুভেচ্ছা জানিয়েছে দিপক কুণ্ডু «» কালুখালীতে ২০ পাউন্ডের কেক কেটে ইউপি সদস্য জামির হোসেনের জন্মদিন উদযাপন «» পাংশা প্রেসক্লাবের সদস্যদের বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করতে হবে-দৈনিক সকালের কণ্ঠ «» পাংশার অবৈধ ক্লিনিক বন্ধ করতে হবে-এমপি জিল্লুল হাকিম   «» পাংশায় ৯৮টি মন্দিরে হবে দুর্গাপূজা শিল্পীদের নিপুণ আঁচড়ে প্রস্তুত হচ্ছে প্রতিমা-দৈনিক সকালের কণ্ঠ «» পাংশায় ছাত্রলীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত-দৈনিক সকালের কণ্ঠ «» পাংশায় মনির কসমেটিক্সের গোডাউনে অভিযান, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা «» পাংশার সকল ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা

পাংশায় পরিক্ষীত ওল চাষে সফল কৃষক, পরিদর্শনে কৃষি অফিসার রতন কুমার ঘোষ

পরিক্ষীত ওল চাষেই সফল

নিজস্ব প্রতিবেদক


রাজবাড়ীর পাংশায় মাদ্রাজি জাতের ওল কচু চাষে সফলতার মুখ দেখেছে কৃষক। পরিক্ষীত ভাবে শুরু করেছে ওল চাষ। অন্যান্য ফসলের তুলনায় অধিক লাভ এই চাষে । এলাকায় ওল কচু চাষের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করেছে প্রতিবেশীরা।

কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাধ্যমে পরিক্ষা মূলোক ভাবে চাষটি শুরু করা হয়েছে। প্রথমবার এই চাষে অংশ নিয়েছে উপজেলার সাতজন কৃষক। এই ওল কচুর পাশাপাশি পানি কচু, মুখি কচু ও লতি কচুর চাষ শুরু করেছে উপজেলা বেশ কয়েকজন কৃষক। কচু চাষে লাভবান হওয়া যায় ধারনাই ছিলোনা তাদের। ছয় থেকে সাত মাস বয়স হলেই ওল কচু খাওয়ার উপযুক্ত হয়। এক একটি কচু ৩-৭ কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে। খেতেও খুব মাজাদার। স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারি।

সোমবার (৯ আগষ্ট) উপজেলার মাছপাড়া ইউনিয়নের নাচনামুরাদপুর গ্রামে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায, নিজ বাড়ির আঙিনায় পরিক্ষা মূলোক ভাবে ওল কচু চাষ শুরু করেছে অভিজিৎ কুমার ভৌমিক (৩৮) নামের এক এনজিও কর্মী। হিরা সমাজ উন্নয়ন সংস্থা নামের স্থানীয় একটি এনজিওতে ফিল্ড অফিসার হিসেবে কর্মরত আছেন তিনি। এনজিওর পাশাপাশি কৃষি কাজ করেন তিনি। অভিজিৎ কুমার অজিত কুমার ভৌমিকের ছেলে।

পরিক্ষীত ওল চাষেই সফল

বাগানটি পরিচর্যায় করছে কৃষক অভিজিৎ কুমার ভৌমিক

তিনি জানান, তার ২০ শতাংশ জমিতে গত মার্চ মাসে ৫৬০টি বীজ রপন করেছি। এখন পর্যন্ত খরচ হয়েছে ৭ হাজার টাকা। ওল বিক্রি করা পর্যন্ত আর তিন হাজার টাকা খরচ হতে পারে। স্বপ্ল পরিশ্রমে এবং স্বপ্ল খরচের চাষ ওল কচু। এখন প্রর্যন্ত প্রতিটি ওলের ওজন হয়েছে ৩-৫ কেজি। বর্তমানে ওলের যে বাজার দর রয়েছে তাতে আমি প্রায় এক লক্ষ টাকার ওল বিক্রয় করকে পারবো। কচু চাষে লাভবান হওয়া যায় ধারনাই ছিলোনা আমার। আমার দেখা দেখে এলাকায় ওল কচু চাষের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করেছে এলাকাবাসী। তিনি আরোও বলেন, এই জমিতে বিগত বছরগুলোতে গৃষ্মকালীন পিঁয়াজ চাষ করতাম। পিঁয়াজ চাষ করে কিছুই করতে পারি নাই। এবার এই কচু চাষে ব্যাপক লাভোবান হবো।

সোমবার ওল কচু চাষ পরিদর্শন করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রতন কুমার ঘোষ। এসময় তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন জেলায় এই কচু চাষের প্রচলন থাকলেও পাংশাতে ছিলনা। মাদ্রাজি জাতের ওল কচু এই বছর পরিক্ষা মূলোক ভাবে শুরু করা হয়েছে। ওল কচুর পাশাপাশি পানি কচু, মুখি কচু ও লতি কচুর চাষেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাংশা উপজেলায় দুই হেক্টর জমিতে কচু চাষ করা হয়েছে। সব জায়গাতেই ব্যাপক ফলনও হয়েছে। বর্তমান বাজার দর অনুযায়ী ব্যাপক লাভোবান হবে তারা।

Print Friendly, PDF & Email
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ