,


শিরোনাম:
«» রাজবাড়ীতে ব্যতিক্রমী আয়োজন করতে যাচ্ছে অনলাইন প্লাটফর্ম “রাজবাড়ী সার্কেল” «» পাংশাবাসীকে দূর্গা পূজার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জেলা পরিষদ সদস্য উত্তম কুমার কুন্ডু «» পূজা উদযাপন পরিষদের পক্ষ থেকে পাংশাবাসীকে শারদীয় শুভেচ্ছা জানিয়েছে দিপক কুণ্ডু «» কালুখালীতে ২০ পাউন্ডের কেক কেটে ইউপি সদস্য জামির হোসেনের জন্মদিন উদযাপন «» পাংশা প্রেসক্লাবের সদস্যদের বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করতে হবে-দৈনিক সকালের কণ্ঠ «» পাংশার অবৈধ ক্লিনিক বন্ধ করতে হবে-এমপি জিল্লুল হাকিম   «» পাংশায় ৯৮টি মন্দিরে হবে দুর্গাপূজা শিল্পীদের নিপুণ আঁচড়ে প্রস্তুত হচ্ছে প্রতিমা-দৈনিক সকালের কণ্ঠ «» পাংশায় ছাত্রলীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত-দৈনিক সকালের কণ্ঠ «» পাংশায় মনির কসমেটিক্সের গোডাউনে অভিযান, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা «» পাংশার সকল ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা

দুশ্চিন্তায় পানিবন্দী প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা-দৈনিক সকালের কণ্ঠ

দুশ্চিন্তায় পানিবন্দী প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা-দৈনিক সকালের কণ্ঠ

মো. শামীম হোসেন


সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ মাসের ১২ তারিখ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলছে। শিক্ষক-শিক্ষার্থী-অভিভাবকসহ সবাই খুশি। প্রায় দেড় বছর পর শিক্ষার্থীরা আবার একত্রিত হবে। তাদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠবে শিক্ষাঙ্গন।

কিন্তু সরকারের এ সিদ্ধান্তে অন্যদের মতো খুশি হতে পারছেন না রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার ডা. আ. কাদের বালিকা দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী-অভিভাবক কেউই। কেন না প্রতিষ্ঠানের চারপাশে পানি জমে আছে। এমনকি কক্ষেও পানি ঢুকে পড়েছে। এ অবস্থায় কীভাবে ক্লাস করা যাবে তা নিয়ে দুশ্চিন্তায়রয়েছেন সবাই।

পাংশা শহরের পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের কুরাপাড়া গ্রামে অবস্থিত প্রতিষ্ঠানটি। বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে মাঠ, প্রবেশ পথ ও একটি ভবন। বর্তমানে হাঁটু সমান পানি পার করে যেতে হচ্ছে প্রতিষ্ঠানে। দুটি ভবনের একটির অফিস কক্ষসহ পাঁচটি শ্রেণি কক্ষের মেঝে পানিতে ডুবে গেছে। বেশি বৃষ্টি হলে অন্য ভবনেও পানি প্রবেশ করবে।

শনিবার গিয়ে দেখা গেছে, পানি ভেঙেই শিক্ষার্থীরা প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করছে। কেউ এসেছে অ্যাসাইনমেন্টের খাতা নিতে, কেউ জমা দিতে। সবাই প্রায় হাঁটুপানি ভেঙেই প্রবেশ করছে কিংবা বের হচ্ছে।

এ সময় অ্যাসাইনমেন্ট জমা দিতে আসা শিক্ষার্থীরা বলে, আমাদের মাদ্রাসা পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। আমরা অনেক কষ্ট করে হাঁটু সমান পানির মধ্য দিয়ে অ্যাসাইনমেন্ট জমা দিতে এসেছি। এতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে আমাদের।

এ সময় প্রতিষ্ঠানের প্রধান মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস বলেন, ‘প্রতিষ্ঠানটি উঁচু স্থানে হওয়া সত্ত্বেও জমে রয়েছে পানি। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। পানি নিষ্কাশনের জন্য একটি কালভার্ট রয়েছে। সেটা ব্যক্তিগত জায়গার ওপর দিয়ে হওয়ার কারণে বন্ধ করে দিয়েছে মালিকপক্ষ। এ কারণেই পানি জমে রয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ইতিমধ্যে আমাদের পাঁচটি শ্রেণি কক্ষ ও অফিস কক্ষে পানি প্রবেশ করেছে। এখন আমরা পানির মধ্যেই অফিস করছি। শুধু দুর্ভোগ আর ভোগান্তিই নয়, রোগ জীবাণু ছড়ানোর আশঙ্কাও রয়েছে।’

কথা হয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাজুল ইসলামের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘প্রতিষ্ঠানটিতে জলাবদ্ধতার বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত আছি। যেহেতু এটি একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, যত দ্রুত সম্ভব অবশ্যই পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করব।’

পাংশা পৌর মেয়র ওয়াজেদ আলী মণ্ডল বলেন, ‘মালিকানা জায়গা ছাড়া পানি বের করার কোনো রাস্তা নেই। সরকারি জায়গা দিয়ে পানি বের করতে হলে পাকা সড়ক কেটে কালভার্ট বসিয়ে বের করতে হবে। তবে আমি এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে যত দ্রুত সম্ভব ব্যবস্থা করব।

Print Friendly, PDF & Email
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ