,


শিরোনাম:
«» রাজবাড়ীতে ব্যতিক্রমী আয়োজন করতে যাচ্ছে অনলাইন প্লাটফর্ম “রাজবাড়ী সার্কেল” «» পাংশাবাসীকে দূর্গা পূজার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জেলা পরিষদ সদস্য উত্তম কুমার কুন্ডু «» পূজা উদযাপন পরিষদের পক্ষ থেকে পাংশাবাসীকে শারদীয় শুভেচ্ছা জানিয়েছে দিপক কুণ্ডু «» কালুখালীতে ২০ পাউন্ডের কেক কেটে ইউপি সদস্য জামির হোসেনের জন্মদিন উদযাপন «» পাংশা প্রেসক্লাবের সদস্যদের বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করতে হবে-দৈনিক সকালের কণ্ঠ «» পাংশার অবৈধ ক্লিনিক বন্ধ করতে হবে-এমপি জিল্লুল হাকিম   «» পাংশায় ৯৮টি মন্দিরে হবে দুর্গাপূজা শিল্পীদের নিপুণ আঁচড়ে প্রস্তুত হচ্ছে প্রতিমা-দৈনিক সকালের কণ্ঠ «» পাংশায় ছাত্রলীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত-দৈনিক সকালের কণ্ঠ «» পাংশায় মনির কসমেটিক্সের গোডাউনে অভিযান, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা «» পাংশার সকল ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা

দুই পয়সার চুল কাটা এখন ৩০ টাকা তবুও সংসার চলে না- দৈনিক সকালের কণ্ঠ

‘অনেক বছর আগে চুল কেটে নিতাম চার পয়সা আর দাড়ি কাটার জন্য দুই পয়সা। সে সময় যা আয় হতো, তা দিয়ে ভালোভাবেই সংসার চলত। কিন্তু বর্তমানে ২০-৩০ টাকায় চুল আর ১০ টাকায় দাড়ি কেটেও সারা দিন যে টাকা আয় হয়, তা দিয়ে সংসার চলে না ঠিকমতো।’ আক্ষেপ নিয়ে কথাগুলো বলছিলেন ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের পরপরই এ পেশায় আসা মাজেদ বিশ্বাস (৬৫)। শুধু মাজেদ বিশ্বাসই নন, তাঁর মতো অনেকেই হাট-বাজারে মানুষের চুল-দাড়ি কেটে যা পান তাই দিয়ে অনেক কষ্টে সংসার চালিয়ে থাকেন। তাঁদেরই দুজন হলেন, বিনয় কুমার বিশ্বাস (৭০) ও আব্দুল গনি বিশ্বাস (৬০)। এই তিনজনেরই বাড়ি রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলায়। তাঁরা উপজেলার হাট-বাজার, ফুটপাত ও বিভিন্ন গ্রামে পিঁড়িতে বসে মানুষের চুল-দাড়ি কাটেন। সম্প্রতি বৃত্তিডাঙ্গা বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, ক্ষুর, কেঁচিসহ অন্যান্য সরঞ্জাম নিয়ে একটি দোকানের দেওয়াল ঘেঁষে খোলা আকাশের নিচে বসে রয়েছেন তাঁরা। চুল-দাড়ি কাটানোর জন্য কেউ আসবেন, এই অপেক্ষায় কাটে তাঁদের সময়। তাঁরা জানান, উপজেলার পাংশা, বাগদুলী ও বৃত্তিডাঙ্গা হাটে চুল-দাড়ি কাটেন তাঁরা। তিনটি হাটে সপ্তাহে দুই দিন করে ছয় দিন বসেন তাঁরা। আব্দুল গনি বিশ্বাস বলেন, ‘এখন আর খোলা আকাশের নিচে বসে চুল-দাড়ি কাটতে চায় না কেউ। বর্তমানে মানুষ পরিবর্তন হয়েছে। সেই সঙ্গে চুল-দাড়ি কাটার সরঞ্জামেও পরিবর্তন এসেছে। সেলুনে এখন আর শান দেওয়া ক্ষুর দেখাই যায় না। তার বদলে এসেছে ব্লেড লাগানো ক্ষুর। এসেছে শেভিং ক্রিম, লোশন ব্লোয়ার ও চুলের কলপ। আমি যখন এ কাজ শুরু করেছি তখন এগুলো মানুষের কাছে ছিল কল্পনাহীন।’ বিনয় কুমার বিশ্বাস বলেন, ‘যখন মানুষ উকু টানত, তখন পান পাতার ব্যবসা করতাম। প্রায় ২০ বছর ধরে এই চুল-দাড়ি কাটি। এখন খোদ্দের পাওয়া যায় না বললেই চলে। সারা দিনে যে কাজ হয় তা দিয়ে সংসার চলে না।’

নিজস্ব প্রতিবেদক


‘অনেক বছর আগে চুল কেটে নিতাম চার পয়সা আর দাড়ি কাটার জন্য দুই পয়সা। সে সময় যা আয় হতো, তা দিয়ে ভালোভাবেই সংসার চলত। কিন্তু বর্তমানে ২০-৩০ টাকায় চুল আর ১০ টাকায় দাড়ি কেটেও সারা দিন যে টাকা আয় হয়, তা দিয়ে সংসার চলে না ঠিকমতো।’

আক্ষেপ নিয়ে কথাগুলো বলছিলেন ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের পরপরই এ পেশায় আসা মাজেদ বিশ্বাস (৬৫)।

শুধু মাজেদ বিশ্বাসই নন, তাঁর মতো অনেকেই হাট-বাজারে মানুষের চুল-দাড়ি কেটে যা পান তাই দিয়ে অনেক কষ্টে সংসার চালিয়ে থাকেন। তাঁদেরই দুজন হলেন, বিনয় কুমার বিশ্বাস (৭০) ও আব্দুল গনি বিশ্বাস (৬০)। এই তিনজনেরই বাড়ি রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলায়। তাঁরা উপজেলার হাট-বাজার, ফুটপাত ও বিভিন্ন গ্রামে পিঁড়িতে বসে মানুষের চুল-দাড়ি কাটেন।

সম্প্রতি বৃত্তিডাঙ্গা বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, ক্ষুর, কেঁচিসহ অন্যান্য সরঞ্জাম নিয়ে একটি দোকানের দেওয়াল ঘেঁষে খোলা আকাশের নিচে বসে রয়েছেন তাঁরা। চুল-দাড়ি কাটানোর জন্য কেউ আসবেন, এই অপেক্ষায় কাটে তাঁদের সময়।

তাঁরা জানান, উপজেলার পাংশা, বাগদুলী ও বৃত্তিডাঙ্গা হাটে চুল-দাড়ি কাটেন তাঁরা। তিনটি হাটে সপ্তাহে দুই দিন করে ছয় দিন বসেন তাঁরা।

আব্দুল গনি বিশ্বাস বলেন, ‘এখন আর খোলা আকাশের নিচে বসে চুল-দাড়ি কাটতে চায় না কেউ। বর্তমানে মানুষ পরিবর্তন হয়েছে। সেই সঙ্গে চুল-দাড়ি কাটার সরঞ্জামেও পরিবর্তন এসেছে। সেলুনে এখন আর শান দেওয়া ক্ষুর দেখাই যায় না। তার বদলে এসেছে ব্লেড লাগানো ক্ষুর। এসেছে শেভিং ক্রিম, লোশন ব্লোয়ার ও চুলের কলপ। আমি যখন এ কাজ শুরু করেছি তখন এগুলো মানুষের কাছে ছিল কল্পনাহীন।’

বিনয় কুমার বিশ্বাস বলেন, ‘যখন মানুষ উকু টানত, তখন পান পাতার ব্যবসা করতাম। প্রায় ২০ বছর ধরে এই চুল-দাড়ি কাটি। এখন খোদ্দের পাওয়া যায় না বললেই চলে। সারা দিনে যে কাজ হয় তা দিয়ে সংসার চলে না।’

Print Friendly, PDF & Email
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ